Natural BD Shop

Natural BD Shop

Breaking

Wednesday, October 7, 2020

সর্দি সারানোর ঘরোয়া উপায়

October 07, 2020 0
 সর্দি সারানোর ঘরোয়া উপায়

 




সর্দি সারানোর ঘরোয়া উপায়

গরম-ঠান্ডার এই সময়ে হুট করেই ঠান্ডা লেগে যেতে পারে। সর্দির বিরক্তিকর যন্ত্রণা আর সেইসঙ্গে মাথাব্যথা তো রয়েছেই। আর সেখান থেকে একবার কাশি বসে গেলে তো কথাই নেই! যন্ত্রণার একশেষ যেন! তবে এই যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে মেনে চলতে পারেন কিছু ঘরোয়া উপায়।

কালোজিরায় ভিটামিন, স্ফটিকল নাইজেলোন, অ্যামিনো অ্যাসিড, স্যাপোনিন, ক্রুড ফাইবার, প্রোটিন, ফ্যাটি অ্যাসিডের মতো লিনোলেনিক, ওলিক অ্যাসিড, উদ্বায়ী তেল, আয়রন, সোডিয়াম, পটাসিয়াম ও ক্যালসিয়াম রয়েছে। নিয়মিত কালোজিরা খেলে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, একজিমা, এলার্জি ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণে থাকে।


সর্দি সারাতে কালোজিরার তেল খুব ভালো কাজে দেয়। তবে এই তেলে বেশ ঝাঁজ থাকে।


একটি পরিষ্কার কাপড়ে কালোজিরা জড়িয়ে তা নাকের কাছে নিয়ে গিয়ে বড় করে শ্বাস টানুন কিছুক্ষণ। এর ঝাঁজ বুকে জমে থাকা শ্লেষ্মাকে টেনে বার করতে সাহায্য করে। একইসাথে, নাকবন্ধের সমস্যাতেও ঘরোয়া এই উপায়ের জুড়ি মেলা ভার।এবং নিয়মিত ১ চা চামুচ কালোজিরার তেল পান করুন।


বৃষ্টি ভেজার ফলে সর্দি-কাশি থেকে বুকে চাপ লাগলে কলোজিরার তেল গরম করে বুকে ও পিঠে মালিশ করে চাদর গায়ে থাকুন কিছুক্ষণ। কয়েক বার করলেই কষ্ট কমবে। কাশির প্রকোপ থেকেও রক্ষা পাবেন ।

মেথি কি?

October 07, 2020 1
মেথি কি?




মেথি কি?

মেথি সবাই চেনেন। মেথিকে মসলা, খাবার, পথ্য—তিনটিই বলা চলে। স্বাদ তিতা ধরনের। এতে রয়েছে রক্তের চিনির মাত্রা কমানোর বিস্ময়কর শক্তি ও তারুণ্য ধরে রাখার বিস্ময়কর এক ক্ষমতা। যাঁরা নিয়মিত মেথি খান, তাঁদের বুড়িয়ে যাওয়ার গতিটা অত্যন্ত ধীর হয়।


মেথি ত্বক ও চুলের জন্য খুবই উপকারী। সামান্য মেথি খাবারের স্বাদ ও গন্ধ বদলে দেয়। যারা ডায়াবেটিস বা পরিপাক সম্পর্কিত সমস্যায় ভুগছেন, তাদের জন্য এই মেথি খুবই উপকারী। এ ছাড়া খুশকি, ব্রণ ও ঋতুস্রাবের সময় পেটব্যথা কমাতে সাহায্য করে মেথি।

প্রতিদিন সকালে খালি পেটে মেথি চিবিয়ে খেলে বা এক গ্লাস পানিতে মেথি ভিজিয়ে রেখে সেই পানি পান করলে শরীরের রোগ-জীবাণু মরে। বিশেষত কৃমি মরে। রক্তের চিনির মাত্রা কমে। রক্তে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল বা চর্বির মাত্রা কমে যায়। ডায়াবেটিসের রোগী থেকে শুরু করে হৃদ্‌রোগের রোগী পর্যন্ত সবাইকে তাঁদের খাবারে মেথি রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। মেথির গুণাগুণ দেখলে একে অন্যতম সুপারফুড বলা চলে।


মেথির উপকারিতা:


১. ডায়াবেটিস

মেথির বীজে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার এবং অন্যান্য উপাদান থাকে যা হজমের ক্ষমতা এবং শরীরের কার্বোহাইড্রেট আর সুগার শোষণ করে নেওয়ার ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ করে। মেথি শরীরে ইন্সুলিন নিঃসরণের মাত্রা বাড়িয়ে দেয় |বর্তমানে করা রিসার্চ অনুযায়ী প্রতিদিন গরম জলে ভিজিয়ে রাখা ১০ গ্রাম মেথির বীজ ডায়াবিটিস টাইপ ২  নিয়ন্ত্রণ করবার জন্য দারুণ কার্যকর। মেথির গম দিয়ে বানানো রুটি, পাউরুটি টাইপ ২ ডায়াবেটিস আক্রান্ত মানুষদের ইনসুলিন প্রতিরোধ করবার ক্ষমতা কমিয়ে দেয়।


২.ওজন কমাতে

প্রাকৃতিক ফাইবার থেকে জন্ম নেয় মেথি। এগুলো চিবিয়ে গিলে খাওয়া যায় এবং পাকস্থলীর ফাঁকা স্থান এরা পূর্ণ করে। এতে ওজন কমানোর বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। খুব বেশি নয়, সপ্তাহে দুই থেকে তিন দিন সামান্য মেথি চিবিয়ে খান। এতেই স্পষ্ট বুঝবেন উপকার পাচ্ছেন। স্থূলতা কমাতে প্রতিদিন সকালে মেথি ভেজানো পানি পান করতে পারেন। দুটি আলাদা গ্লাসে পানি নিয়ে প্রতিটিতে এক টেবিল চামচ মেথি সারা রাত ভিজিয়ে রাখুন। এই পানি পেটের গ্যাসের সমস্যা দূর করে।


৩. চুল পড়া রোধে

স্বাস্থ্যহীন চুলের সৌন্দর্য ফিরিয়ে দেয় মেথি। চুল পড়া রোধে বহুকাল ধরে মেথির কদর চলে আসছে। এটি খেতেও পারেন, বা বেটে মাথায় দিতে পারেন। বিস্ময়কর উপকারিতা মিলবে। মেথি বাটা সারা রাত নারিকেল তেলের মধ্যে চুবিয়ে রেখে সকালে চুলে মাখুন। ঘণ্টাখানেক পর গোসল করে ফেলুন।


৪. হার্টের স্বাস্থ্য

হার্টের স্বাস্থ্য রক্ষায় মেথির উপকারিতা অপরিসীম। মেথি শরীরে থেকে অ্যাসিডের পরিমাণ খুব দ্রুত কমাতে পারে। শরীরের অ্যাসিডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে এর থেকে কার্যকরী ভেষজ মেলা ভার। মেথির বীজ সারারাত্রি জলে ভিজিয়ে রেখে দিয়ে পরের দিন সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে খেয়ে নিলে হার্টের ব্যাথা বা বুক জ্বালার মতন সমস্যা গুলো ওষুধ না খেয়েই ঘরোয়া পদ্ধতিতে কমে যাবে। 


৫. মাসিকের ব্যাথা

পিরিয়ডস-এর ব্যাথা প্রায় সব মেয়েদের জীবনেই বিভীষিকার মতন এবং মাসের ওই বিশেষ দিনগুলিতে মেজাজ খারাপ থাকা বা স্কুল কলেজ কামাই করবার মতন ঘটনা প্রায় সবার জীবনেই ঘটেছে। চিন্তা নেই- রান্নাঘরেই মিলবে এর সমাধান! ইউটেরাসে মৃত টিস্যুর সংখ্যা বাড়তে থাকলেই পিরিয়ডস-এর ব্যাথা শুরু হয়। মাসের ওই বিশেষ দিনগুলিতে গরম গরম মেথি দিয়ে বানানো চা হতে পারে এই ব্যাথার হাত থেকে মুক্তি পাবার মোক্ষম দাওয়াই।


৬. খুশকি দূর করতে

বিশেষ ধরনের চুলে প্রচুর খুশকির উত্পাত ঘটে। মাথার শুষ্ক ও মৃত ত্বক থেকে খুশকি হয়। গোটা রাত পানিতে মেথি ভিজিয়ে রেখে তা বেটে পেস্ট তৈরি করুন। এতে ইচ্ছে হলে দই মেশাতে পারেন। এরপর এই মিশ্রণ মাথার ত্বকে লাগান। মিনিট তিরিশেক রেখে ধুয়ে ফেলুন। খুশকি চলে যাবে।


৭.ত্বকের দাগ দূর করে

মেথির ভিটামিন সি ও ভিটামিন কে ত্বকের ছোপ ছোপ দাগ এবং বয়সের রেখা দূর করে। রাতে ভেজানো মেথি দুধের সঙ্গে মিশিয়ে পরের দিন সকালে একটি মিশ্রণ বানান। কিছুক্ষণ রেখে ভাল করে মুখ ধুয়ে নিন। এতে ত্বকের সৌন্দর্য বাড়বে।

চিয়া বীজ কি?

October 07, 2020 0
চিয়া বীজ কি?

 


চিয়া বীজ কি?

আসলে চিয়া বীজের জন্ম সুদূর মেক্সিকোতে। স্থানীয় “Salvia hispanica” নামক “mint” প্রজাতির গাছের বীজ এটি, তাই এর কোনও ভারতীয় নাম নেই, এটি চিয়া বীজ বা চিয়া সিড নামেই প্রচলিত। ছোট, সাদা, ধূসর, বাদামী ও কালো রঙের এই বীজটি পুষ্টিগুণে ভরপুর এবং এর উপকারিতা অনেক।

চিয়া বীজ এ রযেছে:

ফাইবার- ১১ গ্রাম

প্রোটিন- ৪ গ্রাম

ফ্যাট- ৯ গ্রাম (যার ৫ গ্রাম আবার Omega-3s)

ক্যালসিয়াম- RDA (Recommended Dietary Allowance) এর ১৮%

ম্যাঙ্গানিজ- RDA এর ৩০%

ম্যাগনেসিয়াম- RDA এর ৩০%

ফসফরাস- RDA এর ২৭%

সমুচিত পরিমাণে জিঙ্ক, ভিটামিন বি৩ (নায়াসিন), পটাশিয়াম, ভিটামিন বি১ (থায়ামিন) ও ভিটামিন বি২


চিয়া বীজ এর উপকারিতা সমুহ:


১.অস্টিওপরোসিস প্রতিহত করতে সাহায্য করে:

চিয়া সীড এ থাকা উচ্চ মাত্রার ক্যালশিয়াম আমাদের হাঁড়ের মজবুতি আনে সাথে দাঁতের স্বাস্থ্যও ভালো রাখতে সহায়তা করে| তাই যদি আপনি আপনার হাঁড়ের স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখতে চান তাহলে চিয়া বীজকে রোজ আপনার ডায়েটে সামিল করুন যাতে আপনার শরীরের ক্যালশিয়ামের মাত্রাও বজায় থাকবে|


২.ত্বকের সংক্রমনের মাএা কমায়:

প্রতিদিনের দূষণ, অস্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ এবং কৃএিম প্রসাধনীর দাপটে ত্বকের সংক্রমণ নিত্য বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে আমাদের জীবনে। চিয়া সীড আপনাকে এই ত্বকের সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষা করবে। 

প্রতিদিন ৩৭ গ্রাম নিয়মিত গ্রহণে ত্বকের এই সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে। মূলত এর নিয়মিত গ্রহণ রক্তের কনিকা সমূহ সুস্থ থাকে এবং ত্বকে অক্সিজেনের মাএা বৃদ্ধি করে। ফলে আপনার ত্বক ভিতর ও বাহির থেকে হয়ে ওঠে স্বাস্থ্যউজ্জ্বল।


৩.পাচনতন্ত্রের দক্ষতা বৃদ্ধি করে:

যদি আপনি চিয়া বীজের জন্য পানি যোগ করেন, আপনি খুব দ্রুত বীজের বাইরে একটি জেল-গঠন দেখতে পাবেন যা দ্রবণীয় ফাইবারের একটি ফর্ম। আমাদের পাচনতন্ত্রের একটি জেল হিসাবে, এটি হজম হ্রাস পায় এবং রক্তে শর্করার উপর কার্সেসের প্রভাবকে ঘিরে ফেলতে পারে।


৪.শরীরকে অস্টিওপরোসিস প্রতিহত করতে সাহায্য করে:

চিয়া সীডে থাকা উচ্চ মাত্রার ক্যালশিয়াম আমাদের হাঁড়ের মজবুতি আনে সাথে দাঁতের স্বাস্থ্যও ভালো রাখতে সহায়তা করে| তাই যদি আপনি আপনার হাঁড়ের স্বাস্থ্যের খেয়াল রাখতে চান তাহলে চিয়া বীজকে রোজ আপনার ডায়েটে সামিল করুন যাতে আপনার শরীরের ক্যালশিয়ামের মাত্রাও বজায় থাকবে।


৫.রক্তের সুগার লেভেল কমাতে সাহায্য করে

রক্তের সুগার লেভেল বৃদ্ধি পাওয়া টাইপ-২ ডায়বেটিসের প্রধান লক্ষণ। ক্রমাগত ভাবে  রক্তের সুগার লেভেল এভাবে বৃদ্ধি পাওয়া হার্টের সমস্যা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। 

আশার কথা হচ্ছে চিয়া সীড নিয়মিত গ্রহনে রক্তে ইনসুলিনের সেনসিটিভিটি মাএা কমাতে সাহায্য করে। নিয়মিত চিয়া সীড আপনাকে অনেকটা রক্তের সুগার লেভেল বৃদ্ধি হওয়া কমাতে সাহায্য করবে এবং  হার্টকে রাখবে সুস্থ। 



৬.ত্বকের সংক্রমনের মাএা কমায়

প্রতিদিনের দূষণ, অস্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ এবং কৃএিম প্রসাধনীর দাপটে ত্বকের সংক্রমণ নিত্য বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে আমাদের জীবনে। চিয়া সীড আপনাকে এই ত্বকের সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষা করবে। 

প্রতিদিন ৩৭ গ্রাম নিয়মিত গ্রহণে ত্বকের এই সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে। মূলত এর নিয়মিত গ্রহণ রক্তের কনিকা সমূহ সুস্থ থাকে এবং ত্বকে অক্সিজেনের মাএা বৃদ্ধি করে। ফলে আপনার ত্বক ভিতর ও বাহির থেকে হয়ে ওঠে স্বাস্থ্যউজ্জ্বল।


৭.ওজন কমাতে সাহায্য করে-

চিয়া সীড আপনার ডায়েট চার্টের জন্য যথা উপযুক্ত খাবার৷ কারন চিয়া সীড আপনি যে খাবারের সাথে মিশিয়ে গ্রহণ করুন না কেন, পেটে যাবার পর তা ফুলতে শুরু করে এবং আপনার পেট ভরে যায়। ফলে ক্ষুধা কমে যায় এবং অতিরিক্ত খাদ্য গ্রহণ করার প্রবনতা হ্রাস পায় । সেক্ষেত্রে আপনার বাড়তি ওজন সহজে ঝরে গিয়ে চলে আসবে স্বাভাবিক আকারে। এখানে একটু বলে রাখা ভালো,চিয়া সীড খাবার হজমে বেশ সহায়তাকারি।  


এ ছারাও চিয়া সীড আরও আনে উপকারিতা রযেছে যা আপনার এবং আপনার পরিবারের শরীর শুস্থ রাখতে সহয়াতা করবে।

কাঁচা হলুদের গুড়া

October 07, 2020 0
কাঁচা হলুদের গুড়া





 

কাঁচা হলুদের গুড়া:

মসলাজাতীয় ফসলের তালিকায় শীর্ষ ব্যবহারযোগ্য ফসলের মধ্যে হলুদ অন্যতম। কাঁচা হলুদ থেকে শুরু করে গুঁড়া হলুদের ব্যবহার ব্যাপক। নিত্য খাবার ব্যঞ্জনের রঙ করার উদ্দেশ্যেই প্রধানত এর ব্যবহার হয়ে থাকে তা নয়। শারীরিক প্রয়োজনেও হলুদের ব্যবহার হয়ে থাকে। শুধুমাত্র হলুদ দিয়েই রোগ নিরাময়ে বহুমাত্রিক ব্যবহার সম্ভব।

হলুদের পুষ্টিগুণ:

হলুদের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে কিছু তথ্য বলে রাখি। আমেরিকার কৃষি বিভাগের জাতীয় পুষ্টিগুণ তথ্যপঞ্জি মতে, ১ টেবিল চামচ হলুদগুঁড়ায় পাওয়া যায় ২৯ ক্যালরি, শূন্য দশমিক ৯১ গ্রাম প্রোটিন, শূন্য দশমিক ৩১ গ্রাম চর্বি, ৬ দশমিক ৩১ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ২ দশমিক ১ গ্রাম আঁশ ও শূন্য দশমিক ৩ গ্রাম গ্লুকোজ। এ ছাড়া পাওয়া যায় দৈনিক চাহিদার ২৬ শতাংশ ম্যাংগানিজ, ১৬ শতাংশ আয়রন, ৫ শতাংশ পটাশিয়াম, ৩ শতাংশ ভিটামিন সি এবং সামান্য পরিমাণ ভিটামিন ই, ভিটামিন কে, ক্যালসিয়াম, কপার ও জিংক। এত সব পুষ্টি উপাদানের উপকারিতা বিচারে হলুদকে সুস্বাস্থ্য বজায় রাখার অন্যতম উপকরণ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।হলুদে পুষ্টিগুণ তো আছেই, সেই সঙ্গে আছে বিভিন্ন রোগপ্রতিরোধকারী ক্ষমতা।

কাঁচা হলুদের ব্যবহার করলে অনেক উপকার পাওয়া যায় যেমন:মুখের রঙ উজ্জ্বল্যে,দাগ দূর করতে ,পেটের ক্রিমিতে,হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে,ব্রণ নিরাময়ে,রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ইত্যাদি উপকারিতা পাওয়া যায় কাঁচা হলুদ থেকে।


কাঁচা হলুদের উপকারিতা:


মুখের রঙ উজ্জ্বল্যে : 

হলুদের এক নাম ‘হরিদ্রা’। মুখের লালিত্য বজায় রাখার জন্য মসুর ডাল ও কাঁচা হলুদ বেটে দুধের সর মিশিয়ে মুখে ও হাতে মাখতে হবে। ২ ঘণ্টা পর ধুয়ে ফেলুন এবং ১ মাস ধরে ব্যবহার করুন।


দাগ দূর করতে:

রোদে পোড়া দাগ, বয়সের বলিরেখা, ত্বকের ছোপ ছোপ কালো দাগ দূর করতে কাঁচা হলুদের সাথে সামান্য পরিমান শসার রস মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে মুখে লাগিয়ে রাখুন পনেরো-বিশ মিনিট। কিছুদিনের মাঝেই দাগ দূর হবে। ত্বকের উজ্জ্বলতাও বাড়বে।


ব্রণ নিরাময়ে : 

সকালে খালি পেটে ২ টুকরো কাঁচা হলুদ ও ২টা নিমপাতা একসঙ্গে (আখের গুড়সহ) মিশিয়ে খেলে ব্রণ সেরে যায় আবার দেহের রঙও উজ্জ্বল হয়।


রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়:

হলুদের লাইপোপলিস্যাকারাইড দেহের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। এর অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল, অ্যান্টিভাইরাল ও অ্যান্টিফাঙ্গাল এজেন্ট প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে। এরূপ শক্তিশালী প্রতিরোধ ক্ষমতা ঠান্ডা, সর্দি, কাশি হওয়ার প্রবণতাকে রোধ করে।


হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়:

রক্তনালীর অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হলে রক্তচাপ অনিয়ন্ত্রিত হয়, এতে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে। হলুদ রক্তনালীর কার্যক্রম সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এর ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে।


ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে:

ক্যানসারের মত জটিল রোগ রোধ করতে হলুদ অনেক বেশি কার্যকরী। ক্যানসারের কোষের বৃদ্ধি এবং ছড়িয়ে পড়া রোধে হলুদ সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, এটি মুখগহ্ববরের ক্যানসার রোধ করে থাকে।

ইসবগুলের ভুষি কি?

October 07, 2020 0
ইসবগুলের ভুষি কি?


ইসবগুলের ভুষি কি?

মানবদেহের জন্য অত্যন্ত উপকারী একটি খাদ্য ইসবগুলের ভুষি। কোলন ক্যান্সার, ডায়াবেটিস, পাইলস, কোষ্ঠকাঠিন্য, অ্যাসিডিটি ইত্যাদি প্রতিরোধে বেশ কার্যকর ইসবগুলের ভুষি। এছাড়া, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, হজমক্রিয়ার উন্নতি, হৃদযন্ত্রের সুস্থতা, ওজন নিয়ন্ত্রণসহ নানা উপকারিতা রয়েছে ইসবগুলের।ইসপগুল একটি একবর্ষজীবি উদ্ভিদ। লম্বায় ১২-১৮ ইঞ্চি হয়। বীজ বপনের ২ মাসের মধ্যে গাছে ফুল আসে ও ১১০-১৩০ দিনের মধ্যে ফসল তোলার উপযোগী হয়। ভারত, পাকিস্তান, ইরান, এ্যারাবিয়ান পেনিনসূলার দেশগুলিতে এর চাষ হয়।


ইসবগুলের উপকারিতা-


কোষ্ঠকাঠিন্য দূরীকরণে:

ইসবগুলে থাকে কিছু অদ্রবণীয় ও দ্রবণীয় খাদ্যআঁশের চমৎকার সংমিশ্রণ যা কোষ্ঠকাঠিন্যের জন্য খুব ভালো ঘরোয়া উপায় হিসেবে কাজ করে।এটি পাকস্থলীতে গিয়ে ফুলে ভেতরের সব বর্জ্য পদার্থ বাইরে বের করে দিতে সাহায্য করে। প্রাকৃতিকভাবে জলগ্রাহী হওয়ার কারনে পরিপাকতন্ত্র থেকে পানি গ্রহণ করে মলের ঘনত্বকে বাড়িয়ে দিয়ে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে ২ চামচ ইসবগুল এক গ্লাস কুসুম গরম দুধের সাথে মিশিয়ে প্রতিদিন ঘুমাতে যাবার আগে পান করে নিন।


ওজন কমায়:

ওজন কমানোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাঁধা হচ্ছে ক্ষুধার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা। ইসবগুল পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে। অন্ত্র পরিস্কারেও সাহায্য করে ইসবগুল। ওজন হ্রাসের সময় চর্বি পোড়ানোর প্রক্রিয়ায় শরীরে অনেক বর্জ্য পদার্থ উৎপন্ন হয়। হঠাৎ করে কাঁচা খাবারের পরিমাণ বৃদ্ধি করলে তা পাকস্থলীর জন্য বেশ ভারী হয়ে যায় তাই কোষ্ঠকাঠিন্য ও পেট ফাঁপার সমস্যা তৈরি করে। সুস্থতার জন্য এই বর্জ্য পদার্থগুলো শরীর থেকে বাহির হয়ে যাওয়া প্রয়োজন। ইসবগুল পাকস্থলী পরিষ্কার করতে সাহায্য করে বর্জ্য পদার্থ বের করে দেয়ার মাধ্যমে। প্রতিদিন সকালে অথবা খাওয়ার পূর্বে কুসুম গরম পানিতে ইসবগুল ও লেবুর রস মিশিয়ে পান করলে পেট ভরার অনুভূতি হয় এবং অন্য খাবার খাওয়ার ইচ্ছা কমায়।


পাইলস প্রতিরোধে

প্রাকৃতিক ভাবে দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় খাদ্যআঁশে ভরপুর ইসবগুল যারা পায়ুপথে ফাটল এবং পাইলসের মত বেদনাদায়ক সমস্যায় ভুগছেন তাদের জন্য উত্তম। এটা শুধু পেট পরিষ্কার করতেই সাহায্য করেনা মলকে নরম করতে সাহায্য করে অন্ত্রের পানিকে শোষণ করার মাধ্যমে এবং ব্যাথামুক্ত অবস্থায় তা দেহ থেকে বের হতেও সাহায্য করে। এটি প্রদাহের ক্ষত সারাতেও সাহায্য করে। ২ চামচ ইসবগুল কুসুম গরম পানিতে মিশিয়ে ঘুমাতে যাবার আগে পান করুন।


ডায়রিয়া প্রতিরোধ করে:

যদিও শুনলে অবাক লাগে, ইসবগুল একই সাথে ডায়রিয়া ও কোষ্ঠকাঠিন্য দুটিই প্রতিরোধ করতে সক্ষম।দইয়ের সাথে ইসবগুল মিশিয়ে খেলে এটি ডায়রিয়া প্রতিরোধে বেশ কার্যকর ভূমিকা রাখে। কারণ দইয়ে থাকা প্রোবায়োটিক পাকস্থলীর ইনফেকশন সারায় এবং ইসবগুল তরল মলকে শক্ত করতে সাহায্য করে। এজন্য তিন চা চামচ দইয়ের সাথে দুই চা চামচ ইসবগুল মিশিয়ে খাবার পর খেতে হবে। এভাবে দিনে ২ বার খেলে বেশ কার্যকরী ফলাফল পাওয়া যায়।


অ্যাসিডিটি প্রতিরোধে

বেশির ভাগ মানুষেরই অ্যাসিডিটির সমস্যা থাকে আর ইসবগুল হতে পারে এই অবস্থার ঘরোয়া প্রতিকার।ইসগুল খেলে তা পাকস্থলীর ভেতরের দেয়ালে একটা প্রতিরক্ষা মূলক স্তর তৈরি করে যা অ্যাসিডিটির বার্ন থেকে পাকস্থলীকে রক্ষা করে। এছাড়া এটি হজমের জন্য এবং পাকস্থলীর বিভিন্ন এসিড নিঃসরণে সাহায্য করে।ইসবগুল অ্যাসিডিটিতে আক্রান্ত হওয়ার সময়টা কমিয়ে আনে। প্রতিবার খাবার পর ২ চামচ ইসবগুল আধা গ্লাস ঠাণ্ডা দুধে মিশিয়ে পান করুন। এটি পাকস্থলীতে অত্যাধিক এসিড উৎপাদন কমাতে সাহায্য করে অ্যাসিডিটির মাত্রা কমায়।


কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে :

 ইসবগুলের দ্রবণীয় ফাইবার রক্তের কোলেস্টেরল কমতে সাহায্য করে। এটি অন্ত্রে ফ্যাট ও অতিরিক্ত কোলেস্টেরলের সাথে জেল গঠন করে বর্জ্যের সাথে বের হয়ে যায়। অন্ত্রের দেয়াল যাতে ফ্যাট শোষণ করতে না পারে তাতে সাহায্য করে ইসুবগুল।এছাড়াও ডায়াবেটিস, পাইলস ও ফিশারের রোগীদের জন্য উপকারী ইসবগুল। এসিডিটির সমস্যা সমাধানে এবং হজমক্রিয়ার উন্নতিতেও সাহায্য করে ইসবগুল।


অ্যাসিডিটি প্রতিরোধে: 

বেশির ভাগ মানুষেরই অ্যাসিডিটির সমস্যা থাকে আর ইসবগুল হতে পারে এই অবস্থার ঘরোয়া প্রতিকার।ইসগুল খেলে তা পাকস্থলীর ভেতরের দেয়ালে একটা প্রতিরক্ষা মূলক স্তর তৈরি করে যা অ্যাসিডিটির বার্ন থেকে পাকস্থলীকে রক্ষা করে। এছাড়া এটি ঠিক হজমের জন্য এবং পাকস্থলীর বিভিন্ন এসিড নিঃসরণে সাহায্য করে।ইসবগুল অ্যাসিডিটিতে আক্রান্ত হওয়ার সময়টা কমিয়ে আনে। প্রতিবার খাবার পর ২ চামচ ইসবগুল আধা গ্লাস ঠাণ্ডা দুধে মিশিয়ে পান করুন। এটি পাকস্থলীতে অত্যাধিক এসিড উৎপাদন কমাতে সাহায্য করে অ্যাসিডিটির মাত্রা কমায়।


Tuesday, July 28, 2020

কালোজিরার তেল কেন খাবেন ?

July 28, 2020 0
কালোজিরার তেল কেন খাবেন ?


কালোজিরার তেল খেলে মানব শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। এ ছাড়াও বিভিন্ন রোগের ঔষধ কালজিরার তেল ।

কালোজিরার তেল খেলে যেসব রোগ থেকে মুক্তি পাবেন।


১) এক কাপ দুধ ও ১ চা চামচ কালো জিরা তেল একসাথে মিশিয়ে দৈনিক পা ন করুন। পেটে গ্যাসের সমস্যা থাকলে তা কমে যাবে।


২) সকালে নাশতা খাওয়ার আগে গরম পানিতে মধু আর কালোজিরা তেল মিশিয়ে টানা ৪০ দিন খেলে শ্বাসকষ্ট দূর হবে। এই সময়টুকুতে অবশ্য ঠান্ডা থেকেও নিজেকে রাখতে হবে দূরে। এভাবে ৪০ দিন কাটাতে পারলে কাশি এবং শ্বাসকষ্ট থেকে মুক্তি মিলবে নিশ্চিতভাবেই।


৩) উচ্চ রক্তচাপ থেকেই অনেক সময় হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের আশঙ্কা দেখা যায়। এটি নিয়ন্ত্রণে দারুণ কার্যকরী কালোজিরা। যে কোনো পানীয়ের সঙ্গে আধ চা চামচ কালোজিরা তেল মিশিয়ে খেলেই তা নিয়ন্ত্রণে রাখবে উচ্চ রক্তচাপ।


৪) রোজ ঘুমাতে যাওয়ার আগে টকদইয়ের সঙ্গে কালোজিরা তেল মিশিয়ে খেলে ওজন কমতে সুরু করবে অনেক দ্রুত।


৫) লেবু দিয়ে সব মাথার খুলি ভালোভাবে ঘষুণ। ১৫ মিনিট পর শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন ও ভালোভাবে মাথা মুছে ফেলুন। তার পর মাথার চুল ভালোভাবে শুকানোর পর সম্পূর্ণ মাথার খুলিতে কালোজিরার তেল মালিশ করুন। এতে এক সপ্তাহেই চুলপড়া কমে যাবে।




অনলাইনে অর্ডার করতে:

☎️ OFFICIAL NUMBER

01776123221(Bkash personal)


📩মেসেজ লিংক=Natural BD Shop


✅ অথবা নিম্নলিখিত তথ্য আমাদের পেইজ এ মেসেজ করুনঃ

1) আপনার নাম

2) ঠিকানা

3) মোবাইল নাম্বার

4)পণ্যের পরিমান


🚛 ডেলিভারি চার্জ ১২০ টাকা বাংলাদেশের যেকোন প্রান্তে পৌছে দেওয়া হয়।

কালোজিরা কি?

July 28, 2020 0
কালোজিরা  কি?

কালোজিরা  কি?




কালিজিরার ইংরেজি নাম ( Fennel flower,Black caraway) । অন্যান্য বাংলা নাম কালিজিরা, কালোজিরা,নিজেলা, কালঞ্জি এসব ।
যে নামেই ডাকা হোক না কেন এ কালো বীজের গুণাগুণ স্বাস্থ্য উপকারিতা অপরিসীম অসাধারণ কালজয়ী ।কালিজিরার আদি নিবাস দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব
এশিয়া।ওষুধ শিল্প, কনফেকশনারি শিল্প ও রন্ধনশালায় নিত্যদিনের ব্যঞ্জরিত খাবার তৈরিতে কালিজিরার জুড়ি নেই।কালিজিরার যে অংশটি ব্যবহার করা
হয় তাহলো শুকনো বীজ ও বীজ থেকে পাওয়া তেল।আশ্চর্য বীজ কালিজিরার উপকারিতা বহুমুখী। 

কালোজিরার তেল কি?


কৃষকদের থেকে সংগ্রহ করে কালোজিরার বীজকে শুকানো হয়। তারপর প্রাকৃতিক উপায়ে ঘানি ভেঙে কালোজিরার বীজ থেকে তেল নিষ্কাশন করা হয়।
কালোজিরার তেলকে সংরক্ষণের জন্য নিজ হাতে বোতল জাত করন করা হয়।

কালোজিরার তেল স্বাস্থ্য উপকারিতা অপরিসীম। ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া নিধন থেকে শুরু করে শরীরের কোষ ও কলার বৃদ্ধিতে সহায়তা করে কালোজিরা তেল । 
শুধুমাত্র স্বাস্থ্যের জন্যই না কালোজিরা তেল চুল ও ত্বকের জন্যও অনেক উপকারি। প্রত্যেকের রান্নাঘরেই কালোজিরা তেল থাকা উচিত যা খাবারকে সুবাসিত ও 
স্বাস্থ্যকর করে তোলে।এতে আছে প্রায় ২১ শতাংশ আমিষ, ৩৮ শতাংশ শর্করা এবং ৩৫ শতাংশ ভেষজ তেল ও চর্বি।পাশাপাশি কালিজিরার তেলে আছে লিনোলিক 
এসিড, অলিক এসিড, ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, আয়রন,জিংক, ম্যাগনেশিয়াম, সেলেনিয়াম, ভিটামিন-এ, ভিটামিন-বি, ভিটামিন-বি২, নিয়াসিন ও ভিটামিন-সি।
এতে রয়েছে ক্যন্সার প্রতিরোধক কেরোটিন ও শক্তিশালী হর্মোন, প্রস্রাব সংক্রান্ত বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধকারী উপাদান, পাচক এনজাইম ও অম্লনাশক উপাদান এবং 
অম্লরোগের প্রতিষেধক।

কালোজিরার তেলর উপকারিতা


১. কালোজিরার তেল ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ রাখতে সহায়তা করে।
২. ডায়েটের জন্য কালোজিরা দারুণ কাজ করে।
৩. লেবুর রস ও কালোজিরা তেল একসঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করলে ত্বকের অনেক সমস্যার সমাধান করে।
৪. কালোজিরা তেল মাথাব্যথার সমস্যার সমাধান করে।
৫. সরিষার তেলের সঙ্গে কালোজিরা তেল গরম করে ব্যাবহার করলে ব্যথা থেকেও মুক্তি পেতে সহায়তা করবে।
৬. কালোজিরায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায়, প্রদাহ, অক্সিডেটিভ স্ট্রেস হ্রাস করার ক্ষমতাসহ লিভারকে সুরক্ষিত করতে সহায়তা করে।
৭. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে কালোজিরা।
৯. যারা হাঁপানি বা শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যায় ভুগে থাকেন তাদের জন্য কালোজিরা অনেক বেশি উপকারী।
১০. নিয়মিত কালোজিরার তেল খেলে দেহে রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো হয়।
১১. নিয়মিত কালোজিরা খাওয়ালে দ্রুত শিশুর দৈহিক ও মানসিক বৃদ্ধি ঘটে।

কেন আমাদের থেকে নিবেন?


১। শতভাগ অরজিনাল এবং অরগাকি পন্য।
২। প্রাকৃতিক উপায়ে তৈরি।
৩। সরাসরি কৃষকদের থেকে কালোজিরার সংগ্রহ করা হয়।
৪। দামে সাশ্রয়ী এবং   সহজে হাতের নাগালে পাওয়া যায়।

অনলাইনে অর্ডার করতে:

☎️ OFFICIAL NUMBER
01776123221(Bkash personal)

📩মেসেজ লিংক=Natural BD Shop

✅ অথবা নিম্নলিখিত তথ্য আমাদের পেইজ এ মেসেজ করুনঃ
1) আপনার নাম
2) ঠিকানা
3) মোবাইল নাম্বার
4)পণ্যের পরিমান

🚛 ডেলিভারি চার্জ ১২০ টাকা বাংলাদেশের যেকোন প্রান্তে পৌছে দেওয়া হয়।




Thursday, July 23, 2020

কালোজিরার তেল চুলে লাগালে কী উপকার হয়?

July 23, 2020 0
কালোজিরার তেল চুলে লাগালে কী উপকার হয়?

চুলে বাঙালি নারীরা অনেক রকম তেল ব্যবহার করেন। কালিজিরার তেল মূলত ওষধি তেল, কিন্তু চুলের যত্নের জন্যও এই তেল অনেক উপকারে আসে।

আপনার কাছাকাছি আড়ং এর আউটলেটে নেকটার কালিজিরার তেল পাবেন। এখানে কালিজিরার তেলের চুলের উপকারিতার উপর ভিত্তি করে রিভিউ দেয়া হল। তবে এর অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতাও রয়েছে।

• সপ্তাহে এক বা দুই দিন কালিজিরার তেল ব্যবহার বিধি অনুযায়ী লাগানো যেতে পারে।

• শুষ্ক চুলের জন্য ডিমের সাদা অংশের সাথে সামান্য কালিজিরার তেল মিশিয়ে লাগালে চুলের শুষ্কতা কমে আসে।

• নিয়ম করে সপ্তাহে ২ বার এই তেল দিয়ে চুলের যত্ন করলে চুলের সজীবতা ফিরে আসে।

• নতুন চুল গজানোর জন্য ১:১ অনুপাতে অলিভ অয়েল এবং কালিজিরার তেল মিশিয়ে চুলের গোড়ায় গোড়ায় ম্যাসাজ করে লাগিয়ে নিন। এর পর একটি নরম তোয়ালে কুসুম গরম পানিতে ভিজিয়ে এবং পানি নিংড়ে পুরো চুল মুড়িয়ে মাথায় লাগিয়ে রাখুন ৪০ থেকে ১ ঘন্টা সময়ের জন্য। নিয়ম করে সমতাহে ২ বার এভাবে চুলের যত্ন নিলে নতুন চুল গজায়।

• চুলের দৈর্ঘ্য বাড়াতেও এই তেল উপকারে আসে।

• এই তেল চুলের উকুন কমাতেও সাহায্য করে।

কালোজিরার তেল চুলে ব্যবহার করলে যেসব উপকার পাবেন

1.চুল পড়া বন্ধ করে।
2.চুলের ভেঙে যাওয়া রোধ করে।
3.রুক্ষতা দূর করে চুল ঝলমলে করে।
4.চুলের অকালে পেকে যাওয়া রোধ করে।
5.চুলের গোড়ায় রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়। ফলে দ্রুত বাড়ে চুল।



Wednesday, July 22, 2020

কালোজিরা ব্যবহারে সেরে যাচ্ছে করোনা দাবি মদিনার গবেষকদের

July 22, 2020 0
কালোজিরা ব্যবহারে সেরে যাচ্ছে করোনা দাবি মদিনার গবেষকদের

















বিশ্বে প্রতিনিয়ত বেড়েই চলছে প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা। সেই সাথে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যাও। এই বৈশ্বিক মহামারি প্রতিরোধে করোনার টিকার বের করার জন্য হন্যে হয়ে কাজ করছেন সারা বিশ্বের গবেষকরা। এমন পরিস্থিতিতে সৌদি আরবের মদিনার তাইবাহ ইউনিভার্সিটির গবেষকরা দাবি করেছেন, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সফলভাবে চিকিৎসা করেছেন তারা। এজন্য কালোজিরা ব্যবহার করা হয়েছে; যা হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর দেখানো চিকিৎসা পদ্ধতি।

ওই গবেষকদলের গবেষণাপত্র ছাপা হয়েছে মার্কিন জার্নাল ‘পাবলিক হেলথ রিসার্চ’-এ। যা চাইলে যে কেউই দেখতে পারবেন।

ওই গবেষকদলের চিকিৎসা পদ্ধতিতে বলা হয়, দুই গ্রাম কালোজিরা, এক গ্রাম চামেলি ফুল এবং এক চা চামচ মধু এক সঙ্গে মিশিয়ে করোনা থেকে সরে উঠা পর্যন্ত খেতে হবে। এই মিশ্রনটি খাওয়ার পর যে কোনো ফলের জুস কিংবা লেবু অথবা কমলা খাওয়ার জন্য রোগীদের পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

কালোজিরা হলো রাসূল (সা.) এর দেখানো চিকিৎসা উপকরণ। হযরত আয়েশা সিদ্দিকা (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, কালোজিরা হলো সর্বরোগ থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার ওষুধ। তবে বিষ ছাড়া। আয়েশা (রা.) জিজ্ঞেস করেছেন, বিষ কী? রাসূল (সা.) বলেছেন, মৃত্যু। (সহীহ বুখারি-৫৩৬৩)

এই গবেষণা দলের প্রধান ডা. সালাহ মোহাম্মেদ এল সায়েদ বলেন, আল্লাহর অনুগ্রহে যারা এই চিকিৎসা নিয়েছেন তারাই সেরে উঠেছেন এবং তারা এটি নিজেদের বাড়িতেই তৈরি করেছেন। এই চিকিৎসা নেয়ার পর রোগীদের সেরে উঠতে এক সপ্তাহের বেশি সময় লাগেনি।

গবেষণাপত্রে উল্লেখ রয়েছে, কালোজিরা ব্যবহারের ফলে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যায়। টিস্যু সুরক্ষিত থাকে, ফুসফুস ক্ষতিগ্রস্থ হয় না । এছাড়া মধুও ভাইরাস সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে। পাশপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ায়। পাশাপাশি চামেলি ফুলের নির্যাস শরীরের তাপমাত্রা কমাতে জাদুকরি কাজ করে।

ওয়ার্ল্ডওমিটারের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, সারাবিশ্বে এখন পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ৭৮ লাখ ৫৫ হাজার ছয়শ ২৮ জন এবং মারা গেছেন ৪ লাখ ৩১ হাজার ছয়শ ৭২৬ জন। মুসলিম ইঙ্ক।



সুত্রঃইত্তেফাক/এআর









Tuesday, July 21, 2020

❤️️❤️কালোজিরা তেল এর উপকারিতা❤️️❤️️

July 21, 2020 0
❤️️❤️কালোজিরা তেল এর উপকারিতা❤️️❤️️

কালোজিরার স্বাস্থ্য উপকারিতা অপরিসীম। ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া নিধন থেকে শুরু করে শরীরের কোষ ও কলার বৃদ্ধিতে সহায়তা করে কালোজিরা। শুধুমাত্র স্বাস্থ্যের জন্যই না কালোজিরা চুল ও ত্বকের জন্যও অনেক উপকারি। প্রত্যেকের রান্নাঘরেই কালোজিরা থাকে যা খাবারকে সুবাসিত করে


কালোজিরার তেলে ১০০টিরও বেশি উপযোগী উপাদান আছে। এর মধ্যে প্রায় ২১ শতাংশ আমিষ, ৩৮ শতাংশ শর্করা এবং ৩৫ শতাংশ ভেষজ তেল ও চর্বি। এটি নিয়মিত সেবনে নানা ধরণের উপকারিতা পাওয়া যায়।নিম্নে কালো জিরার তেল ব্যবহারের বিভিন্ন ক্ষেত্রগুলো উল্লেখ করা হলঃ
১। এক চা-চামচ পুদিনা পাতার রস বা কমলার রস অথবা এক কাপ রঙ চায়ের সাথে এক চা-চামচ কালোজিরার তেল মিশিয়ে দিনে তিনবার করে পান করলে দুশ্চিন্তা দূর হয় এবং মেধাবিকাশের জন্য কাজ করে দ্বিগুণ হারে।

২। এক চা-চামচ কালোজিরার সঙ্গে তিন চা-চামচ মধু ও দুই চা-চামচ তুলসী পাতার রস মিশিয়ে তিন চারদিন খেলে জ্বর, ব্যথা, সর্দি-কাশি দূর হয়।

৩। বাতের ব্যাথায় আক্রান্ত স্থানে নিয়মিত কালো জিরার তেল মালিশ করলে বাতের ব্যাথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

৪। যারা হাঁপানী বা শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যায় ভুগে থাকেন তাদের জন্য কালোজিরা অনেক বেশি উপকারী। প্রতিদিন খাদ্য তালিকায় কালোজিরার ভর্তা রাখুন ।এছাড়াও, কালোজিরা হাঁপানি বা শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যার অবসান ঘটায়।

৫। নিয়মিত কালো জিরা খেলে ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে।

আসুন জেনে নিই কালোজিরায় আর কি কি উপকারিতা রয়েছে-

মাথাব্যথা:

মাথাব্যথায় কপালে উভয় চিবুকে ও কানের পার্শ্ববর্তী স্থানে দৈনিক ৩-৪ বার কালোজিরার তেল মালিশ করুণ। তিন দিন খালি পেটে চা চামচে এক চামচ করে তেল পান করুন উপকার পাবেন।

কফ ও হাঁপানি:

বুকে ও পিঠে কালোজিরার তেল মালিশ করুন। এ ক্ষেত্রে হাঁপানিতে উপকারী অন্যান্য মালিশের সঙ্গে এটি মিশিয়েও নেয়া যেতে পারে।

চুলপড়া:

লেবু দিয়ে সব মাথার খুলি ভালোভাবে ঘষুণ। ১৫ মিনিট পর শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন ও ভালোভাবে মাথা মুছে ফেলুন। তার পর মাথার চুল ভালোভাবে শুকানোর পর সম্পূর্ণ মাথার খুলিতে কালোজিরার তেল মালিশ করুন। এতে এক সপ্তাহেই চুলপড়া কমে যাবে।

যৌন দুর্বলতা:

কালোজিরা চুর্ণ ও অলিভ অয়েল, ৫০ গ্রাম হেলেঞ্চার রস ও ২০০ গ্রাম খাঁটি মধু একসঙ্গে মিশিয়ে সকালে খাবারের পর এক চামুচ করে খান। এতে গোপন শক্তি বৃদ্ধি পাবে।

ডায়াবেটিস:

কালোজিরার চূর্ণ ও ডালিমের খোসা চূর্ণ মিশ্রণ এবং কালোজিরার তেল ডায়াবেটিসে উপকারী।

মেদ ও হৃদরোগ:

চায়ের সঙ্গে নিয়মিত কালোজিরা মিশিয়ে অথবা এর তেল মিশিয়ে পান করলে হৃদরোগে যেমন উপকার হয়, তেমনি মেদ কমে যায়।

উচ্চ রক্তচাপ:

যখনই গরম পানীয় বা চা পান করবেন, তখনই কালোজিরা খাবেন। গরম খাদ্য বা ভাত খাওয়ার সময় কালোজিরার ভর্তা খান রক্তচাপ স্বাভাবিক থাকবে। এ ছাড়া কালোজিরা, নিম ও রসুনের তেল একসঙ্গে মিশিয়ে মাথায় ব্যবহার করুণ। এটি ২-৩ দিন পরপর করা যায়।

জ্বর:

সকাল-সন্ধ্যায় লেবুর রসের সঙ্গে এক টেবিল চামুচ কালোজিরা তেল পান করুণ। আর কালোজিরার নস্যি গ্রহণ করুন।

স্ত্রীরোগ:

প্রসব ও ভ্রুণ সংরক্ষণে কালোজিরা মৌরী ও মধু দৈনিক ৪ বার খান।

সৌন্দর্য বৃদ্ধি:

অলিভ অয়েল ও কালোজিরা তেল মিশিয়ে মুখে মেখে এক ঘণ্টা পর সাবান দিয়ে ধুয়ে ফেলন।

ওজন কমায়:

যারা ওজন কমাতে চান, তাদের খাদ্য তালিকায় উষ্ণ পানি, মধু ও লেবুর রসের মিশ্রণ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। এখন এই মিশ্রণে কিছু কালোজিরা পাউডার ছিটিয়ে দিন। পান করে দারুণ উপকার পাবেন।





কালোজিরা তেল অনলাইনে অর্ডার করতে:
☎️ OFFICIAL NUMBER 01776123221(bkash personal) 📩মেসেজ লিংক= https://m.me/naturalbdshop ✅ Stock Limited. ✅ অথবা নিম্নলিখিত তথ্য আমাদের পেইজ এ মেসেজ করুনঃ 1) আপনার নাম 2) ঠিকানা 3) মোবাইল নাম্বার

ত্বকের হারানো উজ্জ্বলতা ফিরে পেতে মুলতানি মাটি।

July 21, 2020 0
ত্বকের হারানো উজ্জ্বলতা ফিরে পেতে মুলতানি মাটি।

রূপচর্চায় মুলতান��� মাটির ব্যবহার সম্পর্কে আমরা কম বেশি অনেকেই জানি। কিন্তু রূপ চর্চার হাজারো জিনিসের মধ্যে অনেক মানুষই এই জিনিসটি ব্যবহার করে থাকেন। আবার অন্যদিকে অনেকেই এটি মাটি বলে এর থেকে দূরে থাকেন। আপনি হয়তো জানেন না যে বলিরেখা ও ব্রন সারাতে মুলতানি মাটি কতোবেশি উপকারী। মুলতানি মাটিতে আছে ম্যাগনেসিয়াম ক্লোরাইড উপাদান যা ব্রন সারাতে খুব কার্যকরী। তবে অনেক ধরণের রূপচর্চার দ্রব্যে মুলতানি মাটি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। আপনি এটি ক্লিনজার, টোনার এবং ফেস প্যাক হিসেবেও ব্যবহার করতে পারেন। রূপচর্চা করে সৌন্দর্য পীত সব সময়ই প্রাকৃতিক জিনিস ব্যবহার করা ভালো। চলুন তাহলে জেনে নিই সৌন্দর্যচর্চায় মুলতানি মাটির কিছু ব্যবহার।


১। মুলতানি মাটি ত্বকের মৃতকোষ পরিষ্কার করে ত্বককে শ্বাস নিতে সহয়তা করে থাকে।


২। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য মুলতানি মাটি খুব উপকারী। মুলতানি মাটির সাথে শুধু গোলাপজ্বল মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। ত্বকে লাগিয়ে অপেক্ষা করুন শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। শুষ্ক ত্বকের জন্য মুলতানি মাটির সাথে সামান্য দুধ মিশিয়ে পেস্ট বানিয়ে ব্যবহার করা ভালো। তাছাড়া মুলতানি মাটি মুখের ত্বকে রক্তপ্রবাহ বৃদ্ধি করে।


৩। ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করতে এবং ত্বক টান টান করতে মুলতানি মাটি খুব ভালো। এর ব্যবহারে ত্বকের ব্রন ও বলিরেখা দূর হয় এবং ত্বক দেখায় উজ্জ্বল। তাই ত্বকের এই সমস্যা দূর করতে মুলতানি মাটির পেস্ট বানিয়ে ত্বকে নিয়মিত ব্যবহার করুন।


৪। আপানর মুখে ব্রন হয়ে যদি তার দাগ থেকে যায়, তাহলে চিন্তার কোন কারণ নেই। নিম পেস্ট এর সাথে লবঙ্গ গুঁড়ো, কর্পুর, মুলতানি মাটি ও গোলাপ জ্বল মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। সপ্তাহে ৪ দিন বা চাইলে প্রতিদিন এই পেস্টটি ব্যবহার করুন ত্বকে ব্রনের অসহ্য কালো দাগ দূর করার জন্য।


৫। স্ক্রাবার হিসেবেও মুলতানি মাটি খুব কার্জকরী। ব্ল্যাক হেডস ও হোয়াইট হেডস দূর করতে মুলতানি মাটি দারুণ কাজ করে। মুলতানি মাটির সাথে কাজুবাদাম বাটা ও গ্লিসারিন মিশিয়ে স্ক্রাবার বানিয়ে মুখের ত্বক স্ক্রাব করতে পারেন।


৬। ব্রন হওয়ার পর ত্বকে ছোট ছোট গর্তের দেখা দেয়। তাও আপনি দূর করতে পারেন মুলতানি মাটি দিয়ে।ব্রণের দাগ দূর করতে পরিমাণ মত মুলতানি মাটি, টমেটোর রস, কাঁচা হলুদ এবং স্যানডালউড পাউডার মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এটি মুখে লাগিয়ে ১০-১৫ মিনিট রেখে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাকটি খুব ভালো ক্লিনজার হিসেবেও কাজ করে। সপ্তাহে ২-৩ দিন এটি ব্যবহার করুন। ধীরে ধীরে মুখের দাগ দূর হয়ে ত্বক উজ্জ্বল এবং সুন্দর হবে।






সরিষার তেলের উপকারিতা

July 21, 2020 0
সরিষার তেলের উপকারিতা

সরিষার তেল আমাদের ঐতিহ্যের সঙ্গেই যেন মিশে আছে। একসময় গ্রামবাংলার একমাত্র ভোজ্যতেল ছিল সরিষার তেল। এর ওষুধি গুণাগুণের জন্য প্রাচীনকাল থেকেই আয়ুর্বেদ চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে এই তেল। সরিষার তেল যেমন প্রয়োজনীয় তেমন উপকারী ও সরিষাবীজ থেকে তৈরি হয় সরিষার তেল। এটি গাঢ় হলুদ বর্ণের এবং বাদামের মতো সামান্য কটু স্বাদ ও শক্তিশালী সুবাসযুক্ত তেল।ওমেগা আলফা ৩ ও ওমেগা আলফা ৬ ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন ই ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের সমৃদ্ধ উৎস হওয়ায় সরিষার তেলকে স্বাস্থ্যকর তেল বলা হয়। বিভিন্ন ভোজ্য তেলের ওপর করা একটি তুলনামূলক সমীক্ষায় দেখা যায়, সরিষার তেল ৭০ শতাংশ হৃৎপিণ্ড–সংক্রান্ত রোগের ঝুঁকি কমায়। সরিষার তেল ব্যবহারে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা হ্রাস পায়, যা হৃদ্​রোগের আশঙ্কা কমিয়ে দেয়।

🤓সরিষার তেলের অসাধারণ কিছু উপকারিতার কথা জেনে নেই –

✍️ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়:
সরিষার তেলে গ্লুকোসিনোলেট নামক উপাদান থাকে যা অ্যান্টিকারসিনোজেনিক উপাদান হিসেবে পরিচিত। তাই এটি ক্যান্সারজনিত টিউমারের গঠন প্রতিরোধে সাহায্য করে। এর ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট কোলোরেক্টাল ও গ্যাস্ট্রোইন্টেস্টাইনাল ক্যান্সার থেকে সুরক্ষাও প্রদান করে।

✍️চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে:
সরিষার তেল চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে, অকালে চুল সাদা হওয়া রোধ করে ও চুল পড়া কমায়। সরিষার তেলে প্রচুর ভিটামিন ও খনিজ থাকে। বিশেষ করে উচ্চমাত্রার বিটা ক্যারোটিন থাকে এতে। বিটা ক্যারোটিন ভিটামিন এ তে রূপান্তরিত হয়ে চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এছাড়াও এতে আয়রন, ক্যালসিয়াম, ফ্যাটি এসিড ও ম্যাগনেসিয়াম থাকে যা চুলের বৃদ্ধিতে অনেক সাহায্য করে।এছাড়া প্রতি রাতে চুলে সরিষার তেল মালিশ করে লাগালে চুল কালো হয়।

✍️রক্তসঞ্চালন বৃদ্ধি করে:
আপনার চুল রুক্ষ, শুষ্ক, নিষ্প্রাণ হয়ে গেলে নিয়মিত মাথার তালুতে সরিষা তেল মালিশ করুন। এর ফলে মাথার তালুতে রক্ত সঞ্চালন ঠিক ভাবে হবে এবং চুলের গোড়া মজবুত হয়ে চুল পড়া বন্ধ হবে।

✍️নারিশ করে:
আজকাল চুল পড়া খুবই সাধারণ সমস্যা। এর কারণ চুলের ফলিকল দুর্বল হয়ে নষ্ট হয়ে যাওয়া হতে পারে। চুলে নিয়মিত সরিষা তেল মালিশ করলে ফলিকল মজবুত হয়ে চুল পড়া বন্ধ হবে।

✍️রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে:
সরিষার তেলে উপস্থিত বেশ কিছু পুষ্টিকর উপাদান রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটানোর মধ্যে দিয়ে আমাদের একাধিক রোগের খপ্পর থেকে দূরে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

✍️ঠোঁটের যত্নে:
শুষ্ক ঠোঁটের যত্নে সরিষার তেল চমৎকার প্রতিকার হিসেবে কাজ করে। লিপ বাম বা চ্যাপ স্টিক এগুলোর পরবর্তী সরিষার তেল ব্যবহার করতে পারেন।



















অনলাইনে অর্ডার করতে:


☎️ OFFICIAL NUMBER
01776123221(Bkash personal)


📩মেসেজ লিংক= https://m.me/naturalbdshop


 অথবা নিম্নলিখিত তথ্য আমাদের পেইজ এ মেসেজ করুনঃ
1) আপনার নাম
2) ঠিকানা
3) মোবাইল নাম্বার
4)পণ্যের পরিমান


🚛 ডেলিভারি চার্জ ১২০ টাকা বাংলাদেশের যেকোন প্রান্তে পৌছে দেওয়া হয়।